তোমার মতো, প্রিয়তা

স্বপ্ন দেখি মন উতলা বেশ্যাভাবী প্রহর প্রেমের বলি ভালোবাসা কিনেছি এক শহর জীবন মায়ায় শহর ঘুরে শহর দিলাম তোরে স্বপ্ন উধাও তার অতলে আমার বুকে কহর।

ঝলসানো মেঘ

মোনালিসা খেয়াল ছাড়া কাপুরুষের ফ্যান দোজাহানের অভিজ্ঞতা বিক্রি করে দ্যান বিক্রিতে শে বান্ধা রাখেন যা খুশি তা সব অপরূপা বিলিয়ে দ্যান অনাঘ্রাত হাইমেন!

প্রস্টিটিউট সংক্রান্ত দু’টি বাংলা কবিতা

প্রস্টিটিউট – এক আকাশ ভরা জোছনা-মেঘের লুটোপুটি হায় এক যৌবন জোয়ার-ভাটায় বিলিয়ে দিতে চায় বিলিয়ে সুখ হয় না তবু বিক্রি হয় নিজে চাঁদের আলো অঙ্গে মেখে জীবন ভরে খায়। প্রস্টিটিউট – দুই জীবন মায়ায় জীবন বেঁচে কষ্টে কাটে দিন এম্নি করে যোনির তরে নিজের বাড়ে ঋণ ঋণের বোঝা হালকা করে.

তিনটি বাংলা রুবাই

ক্রমাগত লোভ আগুনঝরা বাদলা দিনে গাছের আগায় কে- শিরির জন্য ফরহাদেরই লীলা দেখেছে? ম্যাকবেথে সব দুঃখগুলো বন্দি হয়ে থাক ভালোবাসা দিলাম তারে ভালোবাসায় যে। জ্যোৎছনাদেবী তার আদলে দিনাতিপাত উড়ছে সদা ক্যানভাসেতে গান রচনায় মগ্ন র’দা ছিলেন যতো আদিপিতা- কান্নারতো শেষ বিকেলে জ্যোৎছনা ফোটায় অহংবদা। মায়াবতী দুপুর জীবন যেমন প্রবহমান মজনু.

তিনটি বাংলা রুবাইয়াত

কবিতাসেন কবিতা হয় বীর্য় থেকে সঞ্জিবনী ফুল উড়িয়ে দ্যায় কল্পলোকের মনোহরী দুল তেলেসমাতি নারীর আসর ছোঁয়াছুঁয়ি সুর কবিতা কি নারীর উরু, নারীর এলো চুল! কচুপাতার কল রঙিন সুতোয় বিনি কাটে হাইমেন ছেঁড়া মন তোর-ই জন্য বয়ে চলে অনেক অনেক ক্ষণ বাকাট্টা হয় জীবন প্রহর ফালি ফালি চাঁদ বুঝতে পারি শেষ.

দু’টি রুবাইয়াত

খেলাপী জল সুর তুলেছে সুর তুলেছে অষ্ট-রবির মন অপূর্ণতা মাতিয়ে রয় হৃদয়ভাঙ্গা ক্ষণ কামুক নারী নিলাম করে বিজ্ঞাপনী সুর অভিসারে গোপন রবে নিলামকারী ধন। অনুর্ণনা সোনালী সুর বর্ণালী মেঘ আঁধার রাতে পেয়ে কষ্ট ফসিল বান্ধা রাখে এমনি আজব মেয়ে মেয়ের মেলা সাঙ্গ হবে রঙ ফুরানো শেষে রঙিন রাখে ছয়টি প্রহর.