চিরায়ত গল্প শিয়াল ও আঙুর ফল

অনেক অনেক বছর আগের এক শিয়ালের গল্প শুনি চলো। গল্পের শিয়ালটা বাস করতো এক আঙুর বাগানের পাশেই। ও ছিলো একটু পেটুক আর লোভীও। বাগানে থোকা থোকা আঙুর। কিন্তু সেগুলো ছিলো কাঁচা। শিয়ালটা প্রায়ই লোভীর মতো আঙুরের দিকে তাকিয়ে ভাবতো, আর ক’দিন পরই পাকবে আঙুর; তখন খুব মজা করে খাবো। এই.

যে কথা ব্যক্তিগত

বলা হয় মনের কথা কাউকে না কাউকে বলতেই হয়। নয়তো জীবনে সুখ নামক ব্যাপারটা স্বচ্ছ থাকে না। হয়তো একথা মিথ্যে নয়। কিন্তু মনের কথা আর ব্যক্তিগত কথা কি এক? এটা নিয়ে তর্কে যাবো না আমরা। তবে একথা তো সত্য যে, ব্যক্তিগত ব্যাপারেও আছে রকমফের। যেমন কিছু ব্যক্তিগত কথা আছে যেগুলো.

অনলাইন শপ ক্যারিয়ার : ই-কমার্স বিজনেস তথ্য

ডিজিটালয়নের যুগে বর্তমান সময়ে অনলাইনে কেনাকাটার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে এই সেক্টরেও ভালো মানের ক্যারিয়ার তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে যারা চাকরি করার চেয়ে নিজেকে উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত করতে চান তাদের জন্য অনলাইন শপে ক্যারিয়ার চমৎকার একটি দৃষ্টান্ত। কেন?

ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন মন্ত্র

থেমে যেতে যেতে একবার কোন মতে; জোর করে যদি একবার হেঁটে যেতে; বেঁচে নিতে যদি একবার বড় ভালো হত। একবার শুধু একবার কোন মতে চোখ মেলে যদি একবার দেখে নিতে দেখে নিতে যদি একবার বড় ভালো হত।

তারুণ্যের স্বপ্নের চাওয়া কলসেন্টার জব

বর্তমান সময়ের তরুণদের স্বপ্নের আকাঙ্খা কলসেন্টারের চাকরি। বিশেষ করে যখন স্নাতক শেষ হওয়ার আগেও এই চাকরিটা করা যায় এবং একটা সম্মানজনক মাসোয়ারা মেলে তখন কেনই বা এই চাকরির প্রতি আগ্রহ জন্মাবে না? স্মার্ট পরিবেশ, নিত্য নতুন মানুষের সাথে মেশা, হরেক রকম ধারণা আর কাজের ভেতর এতো বৈচিত্র্য কোথায় পাওয়া যাবে?.

হুট করে সিদ্ধান্ত!

একটা সমস্যা। সমাধান অনেকগুলো হতে পারে। সেখান থেকে বাছাই করে যেকোনো একটা গ্রহণ করতে হবে। যেটা গ্রহণ করবেন সেটাই কিন্তু সিদ্ধান্ত। আর এই সিদ্ধান্ত এমনই এক ব্যাপার যার কাছে নাজেহাল হননি এমন কেউ নেই। সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে নাকানি চুবানি খাননি এরকম

দেয়ালে ছড়ানো ভালোবাসা

সেই ছোটবেলা থেকেই এর সূত্রপাত- আবীরে বয়স যখন ১১ বা ১২ বছর তখন থেকেই। অবশ্য তখন আর এখনের পার্থক্য হলো- তখন দেয়ালে আবীর ঝুলাতেন বীজগাণিতিক সূত্র আর জ্যামিকি সংজ্ঞা আর এখন সেঁটে রাখেন তার প্রিয় মানুষগুলোর মুখ। সকালে ঘুম ভেঙেই যখন তিনি দেখেন রবীন্দ্রনাথের মুখ, তার মনটা ভালো হয়ে যায়।.

মাটি ও পিতলের পাত্র

ছবির মতো সুন্দর ও প্রাণবন্ত একটি গ্রাম। গ্রামের পাশ দিয়েই নদীর মতো করে চলে গেছে একটা পাথুরে পাহাড়। এই পাথুরে পাহাড় গ্রামটাকে আরও সুন্দর করে তুলেছে। পাহাড় থেকে প্রবাহিত হয় ঝর্ণা। এর সৌন্দর্য দেখে সবাই মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। গ্রামের মানুষ এই ঝর্ণার পানি দিয়েই তাদের ধোয়ামোছা সারে।

পিঁপড়া ও ঘাসফড়িং

সে অনেক আগের কথা। সময়টা ছিলো গ্রীষ্মকাল। এই গ্রীষ্মের কোমল হাওয়ায় ভেসে একটা ঘাসফড়িং মনের সুখে গান গাচ্ছিলো। তার পাশ দিয়েই তখন যাচ্ছিলো একটা পিঁপড়া। সে অনেক দূর থেকে সংগ্রহ করা ভুট্টা নিয়ে খুব কষ্টে বাসায় নিয়ে যাচ্ছে। তার কষ্ট দেখে ঘাসফড়িং বললো, ‘ওহে পিঁপড়া ভাই, কেন এতো পরিশ্রম করছো,.

ভবিষ্যতের পত্র

বইক্কা নিয়ে এখনও কি খেলো তুমি খেল? এখনও কি কারো বুকে বিধিঁয়ে দাও শেল্? মোহের টানে রক্ত খেয়াল নীরবতা ম্যান ছন্নছাড়া বোকা কবি হয়েছিলো ফেল্।