দর্পনসু

অভিজ্ঞতার শূন্য ঘরে বিক্রি করে মন ষোলকলা পূর্ণ করেন বিদায়বেলায় পণ- বৈশাখী পণ খেয়াল শূন্য মন মেতেছে যার হারিয়ে হাসেন বোকা শে; না ফেরানো ধন।

চারটি বাংলা রুবাইয়া

শ্যাওলাপাতার জল কুমারী উৎসবে জেগে হয় মেলা বুড়োমেঘ পানি হয় আচানক খেলা হাইমেন ছিঁড়ে যায় জানি না কিছু তোর রূপ পতিতা ভেসে যায় ভেলা। প্রশান্তি: দীর্ঘ আলো শুভ্রতা-প্রশান্তি-আলোর জীবন বহে তার মাঝে ছিন্নতা ইমরুল কহে উনায়জা বহমান সদা জাগ্রত ফ্রয়েড লিখে গেছে আপামর সহে। ক্রমাগত আশা মন মেতেছে আগুন খেলায়.

নৈশপ্রেম ইকুয়েল ইজ নাথিং

কবিতারা খেয়াল খুশি হাঁটেন আপন মনে নাব্য নদী যায় না রাখা সস্তা প্রহসনে হচ্ছে না প্রেম বিক্রিতে তাই লাগাম টানো জোরে নদী-মেয়ে ঝলসানো ভয় ভঙ্গ দিলো রণে।

নিশির্শন

বন্যমেলা রাতপ্রহরী কথা আঁকো রেখা দোজাহানের বেশ্যা কবি তোমার কাছে শেখা ক্লাস্টেরেতে শান্তি ভরা; রোদন ভরা মায়ায় দুঃখগুলো হয় পতিতা কবির কাছে লেখা।

আমি তোমাতে করিব বাস

আমাদের ভালোবাসা ছিলো স্বচ্ছ- দিঘীর জলের মতো। কেননা আমরা বিশ্বাস করতাম, ভালোবাসায় আড়াল দূরত্ব সৃষ্টি করে। এটা ভাবতে আমাদের খুব কষ্ট হতো, অবিশ্বাস লাগতো- আমাদের মাঝে কখনো ফারাক তৈরি হবে। কিন্তু একদিন তাই হলো। ওকে দোষ দেয়া যায় না। সবাই যা চায়। ওতো এর বেশি কিছু চায়নি, কখনো। হয়তো ও.

তোমার মতো, প্রিয়তা

স্বপ্ন দেখি মন উতলা বেশ্যাভাবী প্রহর প্রেমের বলি ভালোবাসা কিনেছি এক শহর জীবন মায়ায় শহর ঘুরে শহর দিলাম তোরে স্বপ্ন উধাও তার অতলে আমার বুকে কহর।

ঝলসানো মেঘ

মোনালিসা খেয়াল ছাড়া কাপুরুষের ফ্যান দোজাহানের অভিজ্ঞতা বিক্রি করে দ্যান বিক্রিতে শে বান্ধা রাখেন যা খুশি তা সব অপরূপা বিলিয়ে দ্যান অনাঘ্রাত হাইমেন!

প্রস্টিটিউট সংক্রান্ত দু’টি বাংলা কবিতা

প্রস্টিটিউট – এক আকাশ ভরা জোছনা-মেঘের লুটোপুটি হায় এক যৌবন জোয়ার-ভাটায় বিলিয়ে দিতে চায় বিলিয়ে সুখ হয় না তবু বিক্রি হয় নিজে চাঁদের আলো অঙ্গে মেখে জীবন ভরে খায়। প্রস্টিটিউট – দুই জীবন মায়ায় জীবন বেঁচে কষ্টে কাটে দিন এম্নি করে যোনির তরে নিজের বাড়ে ঋণ ঋণের বোঝা হালকা করে.

তিনটি বাংলা রুবাই

ক্রমাগত লোভ আগুনঝরা বাদলা দিনে গাছের আগায় কে- শিরির জন্য ফরহাদেরই লীলা দেখেছে? ম্যাকবেথে সব দুঃখগুলো বন্দি হয়ে থাক ভালোবাসা দিলাম তারে ভালোবাসায় যে। জ্যোৎছনাদেবী তার আদলে দিনাতিপাত উড়ছে সদা ক্যানভাসেতে গান রচনায় মগ্ন র’দা ছিলেন যতো আদিপিতা- কান্নারতো শেষ বিকেলে জ্যোৎছনা ফোটায় অহংবদা। মায়াবতী দুপুর জীবন যেমন প্রবহমান মজনু.