Tag: বাংলা কবিতা

  • স্যরি কিছু মনে কঋস না

    স্যরি কিছু মনে কঋস না

    হয় না সময়, এখনও কি পাসনা চিঠি আমার? এখনও কি গিঁট খুলে পর- রঙিন সুতো-জামার? তলোয়ার কি এখনও চাস্ স্বপ্ন রঙিন খেলায়? প্রথম স্বস্তি বিক্রি করে চাই দোয়া; তোর থামার।

  • ভবিষ্যতের পত্র

    বইক্কা নিয়ে এখনও কি খেলো তুমি খেল? এখনও কি কারো বুকে বিধিঁয়ে দাও শেল্? মোহের টানে রক্ত খেয়াল নীরবতা ম্যান ছন্নছাড়া বোকা কবি হয়েছিলো ফেল্।

  • নরোম টিস্যু: থলথলে পিণ্ড

    কথার ফাঁকে হল্লা করে আগুন পোড়া মন আগলে রাখে ছেঁড়া কাঁথায় যক্ষে ধরা ধন কাঁথার ফাঁকে নরোম টিস্যু যে জন দেখেছে ভুলে গেছে সে জন পুরুষ চিরকুমার পণ।

  • দোজখ বালিকা

    আকাশের খোলা চিঠি ধরাতে পেয়ে অবুঝ বালিকা বৃষ্টির ধারাতে নেয়ে- বিছিয়ে বসেন তারা তায় স্বর্গের জমিন আহ! আলোর মাঝিরা নামে দোজখ বেয়ে।

  • দু’টি প্রলাপবিষয়ক বাংলা কবিতা

    প্রলাপংশ – এক হাবিয়া ডাকছে জানি তবু নয় শির নতো অবিবেচক খোদা বলি কাফিরের মতো মানুষ আগে হতে দাও- ওগো মুসাফির ভায় স্রষ্টার মৃত্যু হায়! শোকাহত মানুষ যতো। প্রলাপংশ – দুই সোনা সোনা সোনা; এ সোনা নয় সোনা একদা বালিকা হারায় আপন; মোনা-? কাঁদি কাঁদি কাঁদি; এ কাঁদা নয় কাঁদা ভেজা ভেজা বালিকাস্বর স্বাদ-এর লোনা।

  • দর্পনসু

    অভিজ্ঞতার শূন্য ঘরে বিক্রি করে মন ষোলকলা পূর্ণ করেন বিদায়বেলায় পণ- বৈশাখী পণ খেয়াল শূন্য মন মেতেছে যার হারিয়ে হাসেন বোকা শে; না ফেরানো ধন।

  • নৈশপ্রেম ইকুয়েল ইজ নাথিং

    কবিতারা খেয়াল খুশি হাঁটেন আপন মনে নাব্য নদী যায় না রাখা সস্তা প্রহসনে হচ্ছে না প্রেম বিক্রিতে তাই লাগাম টানো জোরে নদী-মেয়ে ঝলসানো ভয় ভঙ্গ দিলো রণে।

  • নিশির্শন

    বন্যমেলা রাতপ্রহরী কথা আঁকো রেখা দোজাহানের বেশ্যা কবি তোমার কাছে শেখা ক্লাস্টেরেতে শান্তি ভরা; রোদন ভরা মায়ায় দুঃখগুলো হয় পতিতা কবির কাছে লেখা।

  • তোমার মতো, প্রিয়তা

    স্বপ্ন দেখি মন উতলা বেশ্যাভাবী প্রহর প্রেমের বলি ভালোবাসা কিনেছি এক শহর জীবন মায়ায় শহর ঘুরে শহর দিলাম তোরে স্বপ্ন উধাও তার অতলে আমার বুকে কহর।

  • ঝলসানো মেঘ

    মোনালিসা খেয়াল ছাড়া কাপুরুষের ফ্যান দোজাহানের অভিজ্ঞতা বিক্রি করে দ্যান বিক্রিতে শে বান্ধা রাখেন যা খুশি তা সব অপরূপা বিলিয়ে দ্যান অনাঘ্রাত হাইমেন!